পরিবর্তন
কালকে তুমি কুজন ছিলে, আজকে হয়তো দুর্জন।
কে জানে কাল হবে না মোদের সুজন মোদেরই স্বজন?
জানি তুমি ব্যথা পাবে, জানি তুমি কষ্ট পাবে, ত্যাজিতে তোমার ধর্মস্থল।
মিশে যাও মহাসংঘে, কাজ করো একসঙ্গে, এ যে মহামানবের কর্মস্থল।
নাহি হেথা নারী, নাহি হেথা পুরুষ, নাহি যে রঙিন ফানুস।
নাহি দলাদলি, একসাথে মিলি, কেবলই শ্রমজীবী, নিপীড়িত মানুষ।।
রূপ নাহি হেথা, বর্ণ নাহি হেথা, কেবলই দুর্ভাগা পরিজন।
ঘৃণা নাহি হেথা, হিংসা নাহি হেথা, দলিত বঞ্চিত স্বজন।।
এসো হে প্রলয় এসো ঝঞ্ঝা, এসো হে দুর্নিবার।
স্বজনের তরে সঙ্ঘ থাকে পাশে, এটাই তার অঙ্গীকার।।
ASHOK BISWAS
.............................................................................................................................
বাবা সাহেব আম্বেদকর
রবিরাম হালদার
............
শ্রদ্ধেয় বাবাসাহেব আম্বেদকর
তোমায় জানাই প্রণাম,
বঞ্চিতদের মুক্তি যোদ্ধা তুমি
লহো লাখো সালাম৷
তুমি ভারতপিতা মানব দরদি
জাতির জনক মহাত্মা,
নিম্নবর্ণ পিছিয়েপড়া জনতার
আত্মার পরম আত্মা৷
বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত
তুমি সংগ্রামী জননেতা,
শোষিত-বঞ্চিতের আমরণ যোদ্ধা
নিপীড়িতের মুক্তিদাতা৷
যুগান্ত ব্যপি ঘৃণিত জনগণের
অধিকার প্রতিষ্ঠায় তুমি,
বর্ণবাদী শাসক না মানলেও বুঝেছে ভারত ভূমি৷
দেশের বৈষম্যবাদি রাষ্ট্রনেতারা
তোমার করেছে অসম্মান,
জাতপাতের কুটিল পাশা খেলে
তারা মহাত্মা মহান৷
তুমি বঞ্চিত-শোষিত ভারতবাসীর
মুক্তিমন্ত্রদাতা মুক্তিসূর্য,
বুঝেছে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা
বাজাবে এবার রণতূর্য৷
বাবাসাহেব তোমার সাংবিধানিক
অধিকার নিতেচাই বুঝে,
অত্যাচারী শাসকের যাঁতাকলে
মরবোনা আর মুখবুজে৷
আজ জেগেছে অস্পৃশ্য অসুচি
গরিব গুর্বো অভাজন,
শোসনকারী শাসকের নগ্ন মুখোশ
খোলার করছে আয়োজন৷
জাগো বুঝে নাও দেশবাসী ভাই সব
বাবা সাহেব প্রদত্ত অধিকার,
জোটবাঁধো শ্রমিক-মজুর-কিষান
থাকবনা আর নির্বিকার৷৷
.........
১৫/০৫/২০