গতকাল, অর্থাৎ 5 জুলাই 2020 রবিবার, রায়দিঘি থানার পাকুড়তলা গ্ৰামের
পৌণ্ড্র স্বজন শ্রীময় দিবাকর
রায় মহাশয়ের মহাপরিনির্বাণ উপলক্ষে, তাঁর এক সন্তান
চার কন্যা ও চার
জামাতার উদ্যোগে শ্রাদ্ধের পরিবর্তে ব্রাহ্মণবর্জিত শ্রদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আম্বেদকরবাদী দিবাকর বাবু ছিলেন
ব্রাক্ষণ্যবাদ বিরোধী মুক্ত চিন্তার
সংস্কার মুক্ত মানুষ।সমগ্ৰ জীবন আবর্জনা
যুক্ত ব্রাক্ষণ্যবাদ থেকে নিজেকে সরিয়ে
রেখেছিলেন ও নিজ সমাজকে
সরিয়ে রাখার আপ্রাণ
চেষ্টা
করেছিলেন।এসব
ক্ষেত্রে
সাধারণত
যা
হয়,মনুবাদে
আক্রান্ত
মানুষেরা
দুরে
সরে
যায়
আর
অনুগামী
হয়
হাতে
গোনা
কিছু
মানুষ। কিন্তু
আজ
স্মরণসভায়
প্রমাণিত
হল
দিবাকর
বাবুর
আত্মত্যাগ
বিফল
হয়নি। তিনি
গৌরাঙ্গ
হালদার,
মোহন
মিস্ত্রী
সহ
অসংখ্য
অনুগামী
তৈরি
করতে
সক্ষম
হয়েছেন,
সর্বোপরি
সংস্কারমুক্ত
বিশাল
মহিলা
সংগঠন
নির্মাণ
করে
রেখে
গেছেন। সেই
সাথে
গড়ে
রেখে
গেছেন
নিজের
পরিবারকে।পুত্র
কন্যা
জামাতা
নাতি
নাতনীদের
স্মৃতিচারণায়
বার
বার
উঠে
এসেছে
তাঁর
সততা,
নিষ্ঠ্
সত্যবাদিতা,
দৃঢ়তা
ও
নির্ভয়
মানসিকতার
কথা। দুই
কন্যার
মেয়ে
তারা
উচ্চ
শিক্ষিত। দাদুর
আদর্শে
অনুপ্রাণিত। তারা
দৃঢ়তার
সঙ্গে
ঘোষণা
করল,
তারা
দাদুর
দেখানো
পথের
পথিক
হতে
চলেছে। দাদুর
অসম্পূর্ণ
কাজ
এগিয়ে
নিয়ে
যাওয়ার
শপথ
গ্ৰহণ
করেছে।
লকডাউনের
আবহে
ও
এই
স্মরণসভা
সার্থক
হয়ে
ওঠে
আত্মীয়
স্বজন
প্রতিবেশীদের
একান্ত
সহযোগিতায়। যাঁরা
এতদিন
ব্রাক্ষণ
বর্জিত
এমন
অনুষ্ঠান
দেখেননি। তাঁরা
দেখে
মুগ্ধ
হয়ে
যান।বাসনা
প্রকাশ
করেন
এমন
অনুষ্ঠান
আগামী
দিনে
করার।
ভাবগম্ভীর
পরিবেশে
দীর্ঘ
সময়
ধরে
অনুষ্ঠান
চলে। অনুষ্ঠানের
পৌরহিত্য
করেন
ডাঃ
প্রদীপ
কুমার
বর্মণ,
অলংঙ্করণ
ও
সঞ্চালনা
করেন
শিক্ষক
মৃত্যুঞ্জয়
সরদার,
শ্রদ্ধা
সঙ্গীত
পরিবেশন
করেন
শিক্ষক
জয়দেব
মণ্ডল।
সভাপতিত্ব
করেন
পৌণ্ড্র
মহাসংঘের
সম্পাদক
দুলাল
সরদার,
প্রধান
অতিথি
ছিলেন
সুদর্শন
মণি,
বিশিষ্ট
অতিথি
ছিলেন
ডাঃ
কালাচাঁদ
নস্কর,
বিনোদ
সরদার
(পৌণ্ড্র
মহাসঙ্ঘের
সদস্য
তথা
আম্বেদকর
জনজাগরণীর
সম্পাদক)
ও
তপন
মণ্ডল
মহাশয়।
সবাইয়ের
আন্তরিক
সহযোগিতায়
অনুষ্ঠানটি
সার্থক
হয়ে
ওঠে।
![]() |
| Add caption |









